আজ শনিবার আজ ১৮ই জানুয়ারী ২০২০ ইং
আলহামদু লিল্লাহ ! আল্লাহ তোমার দরবারে লাক্ষ কোটি শুকুর তাতে বাচিয়ে রাখো আর নিয়ে যাও তা তোমার ইচ্ছা । আজ সকালে ঘুম থেকে উঠি ০৬০৬ টায় যার কারণে আজ ডিউটিতে ডুকতে দেরি হয় । এর পর ফজরের নামায পড়ি । ঘাটে বি, এল -৩১ আনলোড শুরু হয়নি এই মতাবস্থায় পাই এবং ০৬১০টায় আনলোড শুরু করে এবং ১২টা ৫০টায় জাহাজটি খালি হয় এবং বি এল ২১ এবং আল-মোহাইমিন-০১ জাহাজ রেখে বিদায় হই। মাঝে জোহরের নামাযটা একা একা আদায় করি । দুপুরের খাবারে ইলিশ মাছ আর কাচ কলা দিয়ে খাই। যাইহোক আছরের নামাযটা জামাতেই আদায় করি কিন্তু কাপড় ধোয়ার কারণে কোনোভাবে জামাত পেয়েছি। মাগরীব নামায পড়তে পেরেছি সুন্দনভাবে নামায শেষে ওয়েলফেয়ার মাঠে সেলিম ভাইয়ের জানাজা নামাযে অংশগ্রহণ করি পরে আরিফ মামার দোকনে পান খেতে গেলাম আরিফ মামা তখন সিগারেট খেতেছিলো কোথাথেকে তার স্ত্রী তা দেখতে পেরে রেগেমেগে আগুন হয়ে যা বলল তা আর লেথার ভাষা নেই।
আর এটা এজন্যই মনে পরলো লোকজন সেলিম ভাইয়ের ছবি দিয়ে ব্যানার লাগিয়েছে যে, “সেলিম ভাইয়ের অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত”
মৃত্যু নিয়ে কিছু কথা।
কিছুদিন আগের শোনা একটি গল্প আজ খুব মনে পরছে , যাহা ছিল হযরত দাউদ (আঃ) এর সময়ের । একদা তিনি এবং তার মন্ত্রীপরিষদ বসা এইমতাবস্থায় মৃত্যুর ফেরেশতা মানুষের সুরাতে দাউদ (আঃ) এর কাছে আসে এবং প্রয়োজনীয় কথা শেষ করে যাবার সময় তার উপদেষ্টার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলেন যার ফলে উপদেষ্টা হুজুরকে জিজ্ঞাসা করেন যে, লোকটা কে...? উত্তরে হুজুর বললেন উনি মৃত্যুর ফেরেশতা । উপদেষ্টা ভয়ে বলে উঠলেন, হুজুর আমাকে দয়া করে হিন্দিস্থানে পাঠিয়েদিন। হুজুর ফু দিলে আল্লাহর কুদরতে তিনি হিন্দুস্থানে চলেগেলেন । পর দিন ঐ ফেরেশতা আবার আসলে তাকে দাউদ (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন আপনি গতকাল আমার উপদেষ্টাকে ভয় দেখিয়েছেন যার ফলে ঐ লোক তার নিজ বাড়ি চলেগেছেন । অতঃপর তিনি যা বললেন তা শুনে আমি নিজেই হতবম্ভ হয়েগেলাম । আর তা হলো, ঐ দিন রাতের ১২টায় তার জান কবজ হবে হিন্দুস্থানে আর সেই লোক সন্ধ্যা ৭টার সময় কিভাবে সিরিয়ায় । তাই দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। এটা আল্লাহর দ্বারাই সম্ভব।আর এটা এজন্যই মনে পরলো লোকজন সেলিম ভাইয়ের ছবি দিয়ে ব্যানার লাগিয়েছে যে, “সেলিম ভাইয়ের অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত”
Post a Comment